
Post Updated at 8 Feb, 2026 – 7:41 PM
ডায়াবেটিস রোগীরাও সঠিক পরিকল্পনায় রোজা রাখতে পারেন। রোজা শুরুর আগে রুটিন চেকাপের অংশ হিসাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধের মাত্রা ও খাবার সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে সুগারের স্বল্পতা বা আধিক্য, কিটোঅ্যাসিডোসিস এবং পানিশূন্যতার ঝুঁকি থাকে।
কোন ধরনের ডায়াবেটিস রোগী নিরাপদে রোজা রাখতে পারেন
যারা শুধু খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেন তাদের রোজা রাখলে সমস্যা ও ঝুঁকি কম। তাছাড়া যারা মেটফরমিন অথবা গ্লিটাজোন জাতীয় ওষুধ খান তাদেরও সমস্যার সম্ভাবনা কম। কিন্তু সাবধান হতে হবে যারা সালফোনাইল ইউরিয়া ও ইনসুলিন নিয়ে থাকেন। তাদের বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা
রমজানের দুই-তিন মাস আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্য ও ওষুধ সম্পর্কে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। ডায়াবেটিস জীবনে শৃঙ্খলাবোধ সৃষ্টি করে। খাবারের শৃঙ্খলা, জীবন যাপনের শৃঙ্খলা ও নৈতিক শৃঙ্খলা সবই ডায়াবেটিক রোগীরা শিক্ষা লাভ করে।
যাদের ব্রিটল ডায়াবেটিস আছে
যাদের ব্রিটল ডায়াবেটিস আছে অর্থাৎ যাদের ডায়াবেটিস অস্থিতিশীল, তারা অস্থিতিশীল অবস্থায় থাকেন। সেক্ষেত্রে তাদের রোজা রাখার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ এই ধরনের রোগীদের জন্য রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ
যারা সচরাচর কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে ভোগেন তারা ইফতারির সময় সালাদ, ফলের রস কিংবা ইসবগুলের ভুসি ও খাবারের সময় পর্যাপ্ত সবজি খাবেন। কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা রোগীরা ইফতারে সালাদ, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি এবং পর্যাপ্ত সবজি খাবেন।
সাধারণ পরামর্শ
ডায়াবেটিক রোগীদের রমজান মাসের দুই তিন মাস আগে থেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পথ্য ও ওষুধ সম্পর্কে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত রক্তের সুগার পরীক্ষা করা এবং যেকোনো জটিলতায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
Leave a Reply