Press ESC to close

ইয়াসরিবের হৃদয়ে ঈমানের মহাবিপ্লব—আনসার সিরিজ-০৪

Post Updated at 21 Jun, 2026 – 12:00 PM

ইয়াসরিবের আকাশে তখন এক অদ্ভুত গুমোট আবহাওয়া। তপ্ত মরুভূমির বাতাস যেন কোনো এক অজানা আশঙ্কায় ভারী হয়ে আছে।城市的 উপকণ্ঠে আসআদ ইবনে যুরারার (রা.) ছোট মাটির ঘরটি এখন আর কেবল একটি সাধারণ বসতভিটা নয়; এটি এখন ইয়াসরিবের আধ্যাত্মিক হৃৎপিণ্ড। এই ঘরের এক কোণে বসে আছেন মক্কার রাজপুত্র মুসআব ইবনে উমাইর (রা.)। তাঁর সামনে স্তূপ করে রাখা চামড়ার পাণ্ডুলিপি, যাতে পরম মমতায় উৎকীর্ণ করা হয়েছে আসমানি ওহির পবিত্র আয়াতগুলো।

আনসার সিরিজের আগের পর্বটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে

মুসআব জানতেন, তিনি এখানে কেবল একজন মুসাফির নন, বরং তিনি এক সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মুখে দাঁড়িয়ে আছেন। ইয়াসরিবের প্রতিটি ধূলিকণা যেখানে মূর্তিপূজা আর গোত্রীয় অহংকারে বুঁদ হয়ে আছে, সেখানে এক নতুন রবের কথা বলা মানেই হলো মৃত্যুকে সাদরে আলিঙ্গন করা। কিন্তু মুসআবের চোখে ছিল এক জান্নাতি জ্যোতি, যা কোনো পার্থিব তলোয়ারের ভয়ে ম্লান হওয়ার নয়।

শহরের অন্দরে তখন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। আওস ও খাযরাজ গোত্রের সাধারণ মানুষেরা যখন দিনের কাজ শেষে খেজুর বাগানের ছায়ায় বিশ্রাম নেয়, তখন তাঁদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে সেই সুদর্শন মক্কী যুবক। কেউ বলে তিনি জাদুকর, কেউ বলে তিনি এমন এক বাণী নিয়ে এসেছেন যা শুনলে কলিজা ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কিন্তু ইয়াসরিবের আসল অধিপতিরা তখনও নীরব ছিলেন। আওস গোত্রের প্রধান নেতা, যাঁর এক ইশারায় হাজারো তলোয়ার কোষমুক্ত হয়—সেই সা’দ ইবনে মুআয (রা.) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু উসাইদ ইবনে হুদাইর (রা.) তখনও জানতেন না যে, তাঁদেরই নাতিদীর্ঘ শহরের এক কোণে এক নিঃশব্দ বিপ্লবের বীজ বপন করা হচ্ছে। তাঁরা যখন শুনতে পেলেন যে, মক্কার এক যুবক তাঁদের বাপ-দাদার ধর্ম পাল্টানোর স্পর্ধা দেখাচ্ছে, তখন ইয়াসরিবের সেই চিরাচরিত আভিজাত্যের রক্ত টগবগ করে ফুটে উঠল।

সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিতে ক্লিক করুন
আনসার হতে ক্লিক করুন

১. সা’দ ইবনে মুআযের ক্রোধ ও উসাইদের অভিযান

সা’দ ইবনে মুআয তখন তাঁর গোত্রীয় আভিজাত্যের দম্ভে অন্ধ। ইয়াসরিবের শান্ত বাতাসে যখন এক নতুন রবের কথা ভেসে এল, তখন তা তাঁর মতো প্রতাপশালী নেতার কাছে ছিল এক দুঃসহ স্পর্ধা। তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং তলোয়ার চালনায় ইয়াসরিবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বীর উসাইদ ইবনে হুদাইরকে ডেকে পাঠালেন। সা’দের চোখেমুখে তখন আগুনের লেলিহান শিখা। তিনি উসাইদকে লক্ষ্য করে গর্জে উঠলেন,

“উসাইদ, তুমি কি দেখছ না? আমাদের এই দুর্বল আর মূর্খ প্রতিবেশীরা এক মক্কী যুবককে নিয়ে এসে আমাদের সমাজ আর ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করছে। আসআদ ইবনে যুরারাহ আমার আত্মীয় হওয়ার কারণে আমি নিজে গিয়ে তাঁর ওপর কঠোর হতে পারছি না। তুমি যাও! ওই মক্কীকে গিয়ে বুঝিয়ে দাও যে, ইয়াসরিবের মাটিতে এই নতুন ঢঙের প্রচার আমরা বরদাশত করব না।”

উসাইদ ইবনে হুদাইর ছিলেন অত্যন্ত ধীরস্থির এবং প্রজ্ঞাসম্পন্ন মানুষ, যাকে ইয়াসরিববাসী ‘কামিল’ বা পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে সম্মান করত। তিনি তাঁর বর্শাটি তুলে নিলেন এবং বীরদর্পে আসআদ ইবনে যুরারার বাগানের দিকে পা বাড়ালেন। আসআদ যখন দূর থেকে উসাইদকে বর্শা হাতে আসতে দেখলেন, তখন তাঁর হৃদপিণ্ড এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। তিনি ফিসফিস করে মুসআবকে বললেন,

“মুসআব! সাবধান! ইয়াসরিবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গোত্রপতি উসাইদ ইবনে হুদাইর আসছে। সে যদি আজ সত্যের বিপরীতে দাঁড়ায়, তবে আমাদের সব আয়োজন ধুলোয় মিশে যাবে।”

মুসআব (রা.) বিন্দুমাত্র বিচলিত হলেন না। তিনি কেবল মুচকি হেসে বললেন,

“তিনি যদি একটু বসেন এবং আমার কথা শোনেন, তবেই আমি সার্থক।”

২. বর্শার মুখে শান্তির বাণী: উসাইদের রূপান্তর

উসাইদ যখন বাগানের ভেতরে প্রবেশ করলেন, তখন তাঁর বর্শার অগ্রভাগ মুসআবের বুকের খুব কাছে। তিনি কর্কশ কণ্ঠে বললেন, “তোমরা কেন আমাদের এখানে এসেছ? আমাদের দুর্বল মানুষদের বোকা বানাতে? যদি জীবন বাঁচাতে চাও, তবে এখনই এই শহর ছাড়ো!” মুসআব (রা.) অত্যন্ত প্রশান্ত দৃষ্টিতে উসাইদের চোখের দিকে তাকালেন। সেই দৃষ্টিতে কোনো ভয় ছিল না, ছিল মমতা। তিনি বললেন, “হে উসাইদ! আপনি কি একটু বসবেন? আমাদের কথাগুলো একটু শুনে দেখুন। যদি আপনার পছন্দ হয় তবে গ্রহণ করবেন, আর যদি ভালো না লাগে তবে আপনার অপছন্দনীয় বিষয় আমরা আপনার সামনে আর আনব না।”

সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিতে ক্লিক করুন
সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিতে ক্লিক করুন

উসাইদের মতো একজন যুক্তিবাদী মানুষের কাছে এই প্রস্তাবটি ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। তিনি ভাবলেন, কথা শুনলে তো কোনো ক্ষতি নেই। তিনি তাঁর বর্শাটি মাটিতে গেঁথে বসলেন। মুসআব (রা.) তখন অত্যন্ত গম্ভীর ও মায়াবী কণ্ঠে সূরা যুখরুফের تিলাওয়াত শুরু করলেন:

“হা-মীম। শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের! আমি একে অবতীর্ণ করেছি আরবি ভাষায় কুরআনরূপে, যাতে তোমরা বুঝতে পারো। নিশ্চয়ই তা আমার কাছে মূল কিতাবে (লাওহে মাহফুজে) অতি উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন ও প্রজ্ঞাপূর্ণ।”

(সূরা যুখরুফ: ১-৪)

তিলাওয়াতের প্রতিটি হরফ যখন উসাইদের কানে প্রবেশ করল, তখন তাঁর ভেতরের সেই ক্রোধের আগুন নিভে গিয়ে এক অদ্ভুত শীতলতা নেমে এল। আসআদ ইবনে যুরারাহ পরে বলেছিলেন, “তিলাওয়াত চলাকালীন উসাইদের কথা বলার আগেই আমরা তাঁর চেহারা দেখে বুঝতে পারছিলাম যে তিনি ইসলাম গ্রহণ করে ফেলেছেন।” উসাইদের মুখমণ্ডল এক জান্নাতি নূরে উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। তিলাওয়াত শেষ হওয়ার পর উসাইদ এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বললেন,

“একী চমৎকার বাণী! একী অমোঘ সত্য! এই দ্বীনে প্রবেশ করার জন্য তোমরা কী করো?”

মুসআব (রা.) তখন তাঁকে কালেমা পাঠ করালেন। উসাইদ ইবনে হুদাইর (রা.) যখন আসআদের বাড়ি থেকে বের হলেন, তখন তিনি আর সেই উগ্র যোদ্ধা উসাইদ নন; বরং তিনি ছিলেন ইসলামের এক মহান পতাকাবাহী।

৩. সা’দ ইবনে মুআযের মুখোমুখি মুসআব: এক রুদ্ধশ্বাস মুহূর্ত

উসাইদ যখন ফিরে এলেন, সা’দ তাঁর চেহারার আভা দেখে সঙ্গীদের বললেন, “আমি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি, উসাইদ যে চেহারা নিয়ে গিয়েছিল, সেই চেহারা নিয়ে ফিরে আসেনি।” উসাইদ চাতুর্যের সাথে সা’দকে বললেন যে, বনু হারিসা গোত্র আসআদকে হত্যার পরিকল্পনা করছে—যা শুনে সা’দ তাঁর আত্মীয়তার টানে এবং বনু হারিসার এই স্পর্ধায় ফেটে পড়লেন। তিনি তাঁর দীর্ঘ তলোয়ারটি কোষমুক্ত করে ঝড়ের বেগে আসআদ ইবনে যুরারার বাড়ির দিকে রওনা হলেন।

সা’দ যখন বাগানের প্রান্তে এসে দাঁড়ালেন, তখন তাঁর বিশাল দেহ আর ক্রোধোন্মত্ত উপস্থিতি চারপাশের বাতাসকে যেন থমকে দিল। সা’দ সেখানে পৌঁছামাত্রই অত্যন্ত কড়া ভাষায় আসআদকে আক্রমণ করলেন এবং মুসআবকে ইয়াসরিব ছাড়ার চরম হুঁশিয়ারি দিলেন। কিন্তু মুসআব ইবনে উমাইর (রা.) তখনো ছিলেন ধীরস্থির। তিনি সা’দের আগুনের মতো উত্তপ্ত চোখের দিকে তাকিয়ে এক জান্নাতি প্রশান্তির হাসি হাসলেন। তিনি সা’দকে অত্যন্ত বিনম্রভাবে বললেন, “হে সা’দ! আপনি কি একটু বসবেন? আমি যা বলি তা শুনে যদি আপনার মনে ধরে তবে গ্রহণ করবেন, নচেৎ আমরা এই মুহূর্তেই আপনার সীমানা ত্যাগ করব।” সা’দ তাঁর তলোয়ারটি মাটিতে গেঁথে গুমোট মুখে বসে পড়লেন।

মুসআব (রা.) অত্যন্ত গম্ভীর ও সুললিত কণ্ঠে সূরা তহা তিলাওয়াত করতে শুরু করলেন:

“ত-হা। আমি আপনার প্রতি কুরআন এই জন্য অবতীর্ণ করিনি যে আপনি কষ্ট পাবেন; বরং এটি তো কেবল উপদেশ তাঁর জন্য—যে ভয় করে।”

(সূরা তহা: ১-৩)

আয়াতগুলোর প্রতিটি শব্দ যখন সা’দের কানে প্রবেশ করল, তখন তাঁর ভেতরের সেই দাউদাউ করে জ্বলে ওঠা ক্রোধের আগুন মুহূর্তেই নিভে গেল। মুসআব যখন পড়তে থাকলেন—

“নিশ্চয়ই আমিই আল্লাহ, আমি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই; অতএব আমারই ইবাদত করো”

তখন সা’দ ইবনে মুআযের হৃদয়ের সেই পাথুরে দুর্গ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল। সা’দ পরে বলেছিলেন, কুরআনের আয়াতগুলো শোনার সময় তাঁর মনে হচ্ছিল যেন আকাশ থেকে নূর নেমে এসে সরাসরি তাঁর কলিজায় প্রবেশ করছে।

তিলাওয়াত যখন শেষ হলো, সা’দ ইবনে মুআযের দু’চোখ বেয়ে তখন অজস্র অশ্রুধারা ঝরছিল। মুসআব (রা.) তাঁকে কালেমায় শাহাদাত পাঠ করালেন। সা’দ সেখান থেকে উঠে যখন তাঁর গোত্র বনু আবদুল আশহাল-এর কাছে ফিরে গেলেন, তখন সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁর সেই ঐতিহাসিক বজ্রহুঙ্কার দিলেন—

“তবে শুনে রাখো, যতক্ষণ না তোমরা আল্লাহর ওপর এবং তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনবে, ততক্ষণ তোমাদের নারী-পুরুষের সাথে কথা বলা আমার জন্য হারাম!”

সা’দ ইবনে মুআযের এই এক ঘোষণায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পুরো বনু আবদুল আশহাল গোত্রটি ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিল। ইয়াসরিবের মাটিতে সেই দিনটি ছিল মহাবিপ্লবের প্রথম বড় বিজয়।

৪. ইয়াসরিবের ঘরে ঘরে ঈমানের বসন্ত

সা’দ ও উসাইদের ইসলাম গ্রহণের পর পুরো জনপদে যেন বসন্তের সজল হাওয়া বইতে শুরু করল। এতদিন যে সত্যের বাণী আসআদ ইবনে যুরারার (রা.) ছোট ঘরের চার দেয়ালের মাঝে ফিসفিসানি হয়ে ধ্বনিত হতো, আজ তা ইয়াসরিবের প্রতিটি অলিতে-গলিতে এক বিজয়ী তূর্যনাদ হয়ে ছড়িয়ে পড়ল। ইয়াসরিবের মানুষ দেখল, যাদের এক হুঙ্কারে তলোয়ার গর্জে উঠত, তারা আজ মক্কার এক নিঃস্ব যুবকের সামনে বিনীতভাবে হাঁটু গেড়ে বসে রবের কালাম শিখছে।

আওস ও খাযরাজ—যাঁরা শতাব্দীকাল ধরে একে অপরের রক্তে হাত রাঙিয়েছে, তাঁরা আজ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে। ঘরের কোণে রাখা শতাব্দী প্রাচীন দেবদেবীগুলো আজ জঞ্জালের মতো বাইরে ফেলে দেওয়া হচ্ছিল। সুবহে সাদিকের শান্ত বাতাসে যখন মুসআবের সুললিত কণ্ঠে তাওহীদের বাণী ধ্বনিত হতো, তখন পুরো জনপদে এক অপার্থিব প্রশান্তি নেমে আসত।

ইয়াসরিবের ইহুডি গোত্রগুলো—বনু কুরাইজা, বনু নাযির আর বনু কাইনুকা—বিস্মিত ও বিচলিত হয়ে এই দৃশ্য লক্ষ্য করছিল। যে আওস-খাযরাজকে তাঁরা শত বছর ধরে লড়িয়ে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা বজায় রেখেছিল, আজ তাঁদের সেই বিভেদের রাজনীতি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। ঈমানের এই বসন্ত বাতাস ইয়াসরিবের নারীদের মাঝেও এক বিশাল বিপ্লব নিয়ে এল। তাঁরা নিজেদের অলঙ্কার বিসর্জন দিয়ে ইসলামের প্রসারে সাহায্য করতে লাগলেন। ইয়াসরিবের ঘরে ঘরে তখন একটাই আলোচনা—কবে তাঁরা সেই মহান নবীকে ﷺ চাক্ষুষ দেখতে পাবেন?

মুসআব ইবনে উমাইর (রা.) যখন নবীজিকে ﷺ মক্কায় প্রেরিত চিঠিতে লিখলেন—

“হে আল্লাহর রাসুল! ইয়াসরিবের এমন কোনো ঘর আর বাকি নেই যেখানে আপনার নাম আর ইসলামের দাওয়াত পৌঁছায়নি।”

ইয়াসরিব এখন তার পঙ্কিল অতীতকে ধুয়ে মুছে সাফ করে তৈরি হচ্ছিল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম মেহমানকে বরণ করার জন্য। এটি এখন আর সেই অভিশপ্ত ‘ইয়াসরিব’ নেই; এটি এখন হিজরতের সেই স্বপ্নের ‘مদিনা’ হওয়ার পথে এক বিশাল পদধ্বনি। প্রতিটি ভোর ইয়াসরিবের জন্য নিয়ে আসত নতুন নতুন মানুষের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ। ইয়াসরিবের প্রতিটি ধূলিকণা যেন এক পবিত্রতার ঘ্রাণ পাচ্ছিল, যা জানান দিচ্ছিল—অন্ধকারের দিন শেষ, খুব শীঘ্রই মদিনার নূর পুরো পৃথিবীকে আলোকিত করবে।

 

তথ্যসূত্র:
১. আর-রাহীকুল মাখতূম (শেখ ছফিউর রহমান মুবারকপুরী)
২. সীরাত ইবনে হিশাম (আল্লামা ইবনে হিশাম)
৩. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইমাম ইবনে কাসীর)

Enamul Haque Ibn Yousuf

“এনামুল হক ইবনে ইউসুফ" সমসাময়িক বাংলা ইসলামি সাহিত্যের একজন সুপরিচিত কণ্ঠস্বর। জীবন, সম্পর্ক, আধ্যাত্মিকতা ও মানবমনের গভীর অনুভূতিগুলোকে তিনি কাব্যিক অথচ বাস্তব ভাষায় তুলে ধরেন। তাঁর বহুল আলোচিত গ্রন্থ "জোড়াতালির সংসার" এবং "জীবনের ভাঁজে ভাঁজে" পাঠকমহলে বিশেষভাবে সমাদৃত। উপন্যাসের পাশাপাশি অনুকাব্য, অনুগল্প ও দার্শনিক গদ্যেও তিনি নির্মাণ করে চলেছেন নিজস্ব এক সাহিত্যভুবন।

Comments (5)

  • Mehedi Hasan Nishansays:

    May 30, 2026 at 6:08 AM

    সত্যিই ইয়াসরিব এই পট পরিবর্তন মহান রবের মহা গ্রন্থ আল কুরআন এর বাণীর অলৌকিক ক্ষমতার ও মহান রবের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অভ্যর্থনা জানাতে এক ঐতিহাসিক আয়োজন হৃদয়কে চরমভাবে উদ্বেলিত করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

- আমি মুসলিমস ডে এর কমেন্টের নীতিমালার সাথে একমত হয়ে পোস্ট করছি

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন ২

ট্যাগ সমূহ

সাইট হিট কাউন্টার

সর্বমোট পোস্ট ভিউ: ৫,২১৪,৩০৯

পোস্ট কপি করার অপশন বন্ধ রাখা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পোস্টের লিংক কপি করুন