Press ESC to close

দ্বিতীয় আকাবার শপথ : হিজরতের এক মহাকাব্যিক রূপরেখা—আনসার সিরিজ-০৫

Post Updated at 18 Jun, 2026 – 6:23 PM

মুসআব ইবনে উমাইর (রা.)-এর এক বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে মদিনার ঘরে ঘরে তখন ইসলামের আলো পৌঁছে গেছে। অন্যদিকে মক্কায় অবস্থানরত নবীজি ﷺ এবং সাহাবীদের ওপর কুরাইশদের অত্যাচারের স্টিমরোলার তখন চরমে। ঠিক এই ক্রান্তিলগ্নে, নবুয়তের ত্রয়োদশ বর্ষে হজের মৌসুমে ইয়াসরিব থেকে এক বিশাল কাফেলা মক্কার পথে রওনা হলো। এই কাফেলায় মুশরিকদের পাশাপাশি ছিলেন তিয়াত্তর জন পুরুষ এবং দুজন মহীয়সী নারী—যাঁরা ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

এই দুই নারী হলেন বনু মাজিন গোত্রের নাসিবা বিনতে কাব (উম্মে আম্মারা) এবং বনু সালামাহ গোত্রের আসমা বিনতে আমর (উম্মে মানি)। তাঁদের হৃদয়ে তখন প্রিয় নবী ﷺ-কে মক্কার কুরাইশদের জুলুম থেকে মুক্ত করার এক দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা।

আনসার সিরিজের আগের পর্বটি পড়তে ক্লিক করুন

১. নিশীথ রাতের সেই গোপন ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ 

মক্কার আইয়ামে তাশরিকের মধ্যবর্তী এক নিঝুম রাত। কুরাইশদের গোয়েন্দা জাল তখন মক্কার প্রতিটি কোণে বিছানো। সামান্যতম ভুলও ঘটাতে পারে এই মহাবিপ্লবের অপমৃত্যু। নবীজি ﷺ তাই আনসারদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাঁরা যেন সাধারণ হাজীদের সাথে ঘুমিয়ে থাকেন এবং রাতের শেষ প্রহরে অত্যন্ত সন্তর্পণে একে একে গিরিপথ ‘আকাবা’র নির্জন স্থানে মিলিত হন।

সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিতে ক্লিক করুন
আনসার হতে ক্লিক করুন

ইয়াসরিবের সেই নির্ভীক কাফেলাটি উটের পায়ের শব্দ পর্যন্ত হতে দিচ্ছিল না। তাঁরা বিছানা ছাড়লেন এমনভাবে, যেন পাশে শুয়ে থাকা মুশরিক সঙ্গীরা টেরও না পায়। পুরুষদের পাশাপাশি নাসিবা বিনতে কাব এবং আসমা বিনতে আমর অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে সেই অন্ধকার গিরিপথ বেয়ে এগিয়ে চললেন। নাসিবা (রা.) সেই রাতে কেবল একজন সাক্ষী হিসেবে যাননি, বরং তিনি তাঁর স্বামী ও দুই পুত্রসহ সপরিবারে নবীজির হাতে বায়াত দিতে গিয়েছিলেন। একে একে তিয়াত্তর জন পুরুষ এবং এই দুই মহীয়সী নারী সেই সংকীর্ণ গিরিপথে একত্রিত হলেন, যেখানে ছায়ার মতো তাঁদের প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন মানবতার মুক্তির দিশারি মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর চাচা আব্বাস (রা.)।

২. হযরত আব্বাস (রা.)-এর প্রজ্ঞাপূর্ণ সতর্কতা ও বারা ইবনে মারুরের প্রত্যয়

গিরিপথে সবাই একত্রিত হলে বায়াতের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার আগেই নবীজি ﷺ-এর চাচা আব্বাস (রা.) দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি তখনও ইসলাম কবুল করেননি, কিন্তু বংশীয় মর্যাদার টানে নিজ ভাতিজার নিরাপত্তার প্রশ্নে তিনি ছিলেন এক অটল প্রাচীর। তিনি আনসারদের চোখে চোখ রেখে অত্যন্ত গম্ভীর ও প্রজ্ঞাপূর্ণ কণ্ঠে বললেন:

“হে খাযরাজ গোত্রের লোকসকল! তোমরা ভালো করে জানো যে, মুহাম্মদ ﷺ আমাদের কাছে অত্যন্ত সুরক্ষিত। কিন্তু তিনি আজ তোমাদের আহ্বানে সাড়া দিতে চাইছেন। বায়াতের হাত বাড়ানোর আগে তোমরা ভেবে দেখো—যদি তোমরা মনে করো যে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁকে রক্ষা করতে পারবে, তবেই এই দায়িত্ব কাঁধে নাও। আর যদি বিপদের সময় তাঁকে শত্রুর হাতে তুলে দেওয়ার সামান্যতম চিন্তা থাকে, তবে এখনই এই পথ ছাড়ো!”

আব্বাসের এই তীক্ষ্ণ সতর্কবার্তা শুনে ইয়াসরিবের বীরদের রক্তে ইমানের জোয়ার এল। বনু সালামাহ গোত্রের বীর সাহাবী বারা ইবনে মারুর (রা.) দাঁড়িয়ে অত্যন্ত পরিষ্কার ও বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করলেন:

“আমরা আপনার কথা শুনেছি। আল্লাহর কসম! সত্যের ওপর অটল থাকার সংকল্প নিয়েই আমরা এখানে এসেছি। আমাদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত—আমরা নবীজিকে ﷺ সেভাবেই রক্ষা করব যেভাবে আমরা আমাদের পরিবার ও সন্তানদের রক্ষা করি। আমরা যুদ্ধের সন্তান, তলোয়ার ও বর্শা আমাদের উত্তরাধিকার।”

এরপর আনসাররা সরাসরি নবীজি ﷺ-এর দিকে মুখ ফিরিয়ে অত্যন্ত বিনীত অথচ দৃঢ় কণ্ঠে আরজ করলেন,

সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিতে ক্লিক করুন
সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিতে ক্লিক করুন

“হে আল্লাহর রাসুল! আপনি আপনার এবং আপনার রবের জন্য যা পছন্দ করেন, সেই শর্তই আমাদের ওপর পেশ করুন। আমরা আপনার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।”

৩. ঐতিহাসিক শপথের পবিত্র শর্তাবলি

পাহাড়ের সেই নিস্তব্ধতায় নবীজি ﷺ অত্যন্ত ধীরস্থির ও সাবলীল কণ্ঠে কুরআনের কিছু আয়াত তিলাওয়াত করলেন, যা উপস্থিত আনসারদের হৃদয়ে আত্মিক প্রশান্তি এনে দিল। এরপর তিনি তাঁদের সামনে সেই ঐতিহাসিক পাঁচটি শর্ত পেশ করলেন, যা ছিল মদিনার ভবিষ্যৎ ইসলামী রাষ্ট্রের এক অলিখিত বুনিয়াদ:

  1.  পূর্ণ আনুগত্য ও শ্রবণ: সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতা, কিংবা মনের খুশিতে বা অনিচ্ছায়—সর্বাবস্থায় নবীজি ﷺ-এর নির্দেশ শোনা এবং তা বিনাবাক্যে পালন করা।
  2.  আর্থিক কোরবানি: অভাবের সময় হোক বা প্রাচুর্যের সময়—আল্লাহর দ্বীনের প্রয়োজনে অকাতরে সম্পদ ব্যয় করা।
  3.  সামাজিক সংস্কার ও দায়বদ্ধতা: জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সৎ কাজের আদেশ দেওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা।
  4.  সত্যের নির্ভীকতা: আল্লাহর পথে সত্য কথা বলতে গিয়ে কোনো নিন্দুকের নিন্দা বা পার্থিব শক্তির রক্তচক্ষুকে ভয় না করা।
  5.  সর্বাত্মক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা: নবীজি ﷺ যখন ইয়াসরিবে হিজরত করবেন, তখন নিজেদের সন্তান ও পরিবারকে যেভাবে জীবন দিয়ে রক্ষা করা হয়, ঠিক সেভাবেই তাঁকে সব শত্রু থেকে হেফাযত করা।

আনসারদের পক্ষ থেকে বারা ইবনে মারুর (রা.) নবীজি ﷺ-এর হাত ধরে চূড়ান্ত ঘোষণা দেন যে, তাঁরা এই চুক্তির প্রতিটি হরফ পালনে নিজেদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত বিসর্জন দিতে প্রস্তুত।

৪. হযরত আসআদ ইবনে যুরারাহ (রা.)-এর যুগান্তকারী বাণী

শর্তাবলি ঘোষণার পর তিয়াত্তর জন পুরুষ এবং দুই মহীয়সী নারী যখন বায়াত হওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠলেন, ঠিক তখনই কাফেলার সর্বকনিষ্ঠ নকীব আসআদ ইবনে যুরারাহ (রা.) সবার হাত থামিয়ে দিলেন। তাঁর এই বাধা কোনো ভয় থেকে ছিল না; বরং তা ছিল এই চুক্তির গাম্ভীর্য উপস্থিত সবাইকে হাড়ভাঙা সত্য হিসেবে দ্বিতীয়বার উপলব্ধি করানোর এক প্রজ্ঞাপূর্ণ প্রয়াস।

তিনি নবীজি ﷺ-এর হাতটি নিজের মুঠোয় শক্ত করে ধরে সমবেত আনসারদের উদ্দেশ্যে বললেন:

“হে ইয়াসরিববাসী! তোমরা একটু থামো। তোমরা কি জানো আজ তোমরা কার হাতে হাত রেখে কিসের শপথ করছ? আজ তোমরা বায়াত করছ সমগ্র পৃথিবীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার ওপর। আরবের প্রতিটি শক্তিশালী তলোয়ার তোমাদের দিকে তাক করা হবে, তোমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা শহীদ হবে। যদি তোমাদের মনে এই হিম্মত থাকে এবং বিপদের দিনেও তোমরা অটল থাকতে পারো, তবেই হাত বাড়াও। কারণ এর বিনিময় স্রেফ দুনিয়ার কোনো বিজয় নয়, এর বিনিময় হলো চিরস্থায়ী জান্নাত!”

আসআদ (রা.) চাইলেন না কেউ কেবল সাময়িক আবেগের বশবর্তী হয়ে এই বিশাল দায়ভার গ্রহণ করুক। কিন্তু আনসাররা সমস্বরে গর্জে উঠলেন, “আসআদ! তুমি আমাদের হাত ছাড়ো! আল্লাহর কসম! আমরা এই বায়াত থেকে কক্ষনো পিছিয়ে যাব না।”

৫. মহীয়সী নারীদের বায়াত এবং সুন্নাহর পবিত্র শিক্ষা

আকাবার সেই রাতে নাসিবা বিনতে কাব (রা.) এবং আসমা বিনতে আমর (রা.)-এর অংশগ্রহণ ইসলামের ইতিহাসে নারী অধিকার ও মর্যাদার এক শাশ্বত দলিল। এই বায়াত গ্রহণের সময় দুটি বিশেষ দিক অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ফুটে ওঠে:

  • পর্দা ও চারিত্রিক পবিত্রতার শিক্ষা: রাসুলুল্লাহ ﷺ যখন পুরুষদের কাছ থেকে বায়াত নিচ্ছিলেন, তখন তিনি তাঁদের হাত স্পর্শ করেছিলেন। কিন্তু এই দুই মহীয়সী নারীর বায়াত গ্রহণের সময় তিনি তাঁদের হাত স্পর্শ করেননি; তিনি কেবল মুখে তাঁদের আনুগত্যের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন। এটি ছিল উম্মাহর জন্য এক স্পষ্ট শিক্ষা যে, দ্বীনের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনেও পরনারীর সাথে শারীরিক সংস্পর্শ ইসলামে অনুমোদিত নয়।
  • নারীর বৈপ্লবিক ভূমিকা: নাসিবা (রা.) এবং আসমা (রা.)-এর এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, ইসলাম রক্ষা করার সংগ্রাম কেবল রণাঙ্গনের তলোয়ারে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একটি ঈমানদার জাতি গঠনের মূলে নারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশেষ করে নাসিবা (রা.) পরবর্তীতে উহুদের যুদ্ধে নিজেকে ঢাল বানিয়ে নবীজিকে রক্ষা করে প্রমাণ করেছিলেন যে, আকাবার সেই রাতের অঙ্গীকার তাঁর কাছে প্রাণের চেয়েও মূল্যবান ছিল।

৬. মদিনার বারোজন প্রতিনিধি (নকীব) নির্বাচন

বায়াতের পর প্রিয় নবী ﷺ চাইলেন এই পবিত্র আবেগকে একটি সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর রূপ দিতে। মদিনার প্রতিটি অলিগলিতে ইসলামের এই বাণীকে স্থায়ীভাবে গেঁথে দেওয়ার জন্য তিনি উপস্থিত কাফেলাকে উদ্দেশ্য করে এক দূরদর্শী নির্দেশ দিলেন:

“তোমরা তোমাদের মধ্য থেকে বারোজন নকীব বা প্রতিনিধি নির্বাচন করো, যারা নিজ নিজ গোত্রের দায়ভার গ্রহণ করবে এবং তাদের যাবতীয় বিষয়ে আমার নিকট জিম্মাদার হবে; ঠিক যেমন ঈসা (আ.)-এর জন্য তাঁর বারোজন হাওয়ারী বা সহচর ছিল।”

উপস্থিত আনসাররা তৎক্ষণাৎ পরামর্শ করে তাঁদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ বারোজন ব্যক্তিকে মনোনীত করলেন:

  • খাযরাজ গোত্র থেকে নয়জন: আসআদ ইবনে যুরারাহ (নকীবদের প্রধান), সা’দ ইবনে উবাদাহ, সা’দ ইবনে রাবী, রাফে ইবনে মালিক, আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা, বারা ইবনে মারুর, মুনযির ইবনে আমর, উবাদাহ ইবনুস সামিত এবং রাফে ইবনে উমায়ের (আবু হাইছাম)।
  • আওস গোত্র থেকে তিনজন: উসাইদ ইবনে হুদাইর, সা’দ ইবনে খায়সামা এবং রিফায়াহ ইবনে আবদিল মুনযির (রা.)।

৭. চক্রান্তের চিৎকার ও অকুতোভয় বিদায়

নেতৃত্বের শপথের মাধ্যমে যখন এক নতুন ইতিহাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলো, ঠিক তখনই রাতের নিস্তব্ধতা চিরে পাহাড়ের চূড়া থেকে ইবলিস এক উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার শুরু করল, যা মক্কার উপত্যকায় ঘুমিয়ে থাকা কুরাইশদের কানে গিয়ে আঘাত করছিল। শয়তানটি চিৎকার করে বলছিল, “ওহে মিনার তাঁবুতে অবস্থানকারীরা! মুহাম্মদ এবং তার সাথে থাকা এই ধর্মত্যাগীরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শপথ নিচ্ছে!”

এই আকস্মিক চিৎকারে আনসারদের বীর যোদ্ধা আব্বাস ইবনে উবাদাহ (রা.) তলোয়ারের মুঠি শক্ত করে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি যদি অনুমতি দেন, তবে কাল সকালেই আমরা মিনায় অবস্থানরত কুরাইশদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ব।” কিন্তু নবীজি ﷺ অত্যন্ত শান্ত কণ্ঠে বললেন, “না, আমাকে এখনও যুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তোমরা এখন ধৈর্য ধরো এবং অত্যন্ত সন্তর্পণে তোমাদের নিজ নিজ তাঁবুতে ফিরে যাও।”

নবীজির নির্দেশ পাওয়া মাত্রই আনসাররা রাতের অন্ধকারেই নিঃশব্দে নিজেদের তাঁবুতে ফিরে গেলেন। পরদিন কুরাইশরা মরুভূমির ধূলি উড়িয়ে পিছু ধাওয়া করে কাফেলার শেষ প্রান্তে থাকা মদিনার অন্যতম নেতা সা’দ ইবনে উবাদাহ (রা.)-কে ধরে ফেলে এবং মক্কায় নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। পরবর্তীতে কুরাইশদের অন্যতম নেতা জুবায়ের ইবনে মুতইম এবং হারিস ইবনে হারবের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান।

মক্কার সেই অন্ধকার পাহাড় থেকে যে আগুনের ফুলকি সেদিন জ্বলে উঠেছিল, তা-ই খুব শীঘ্রই মদিনার প্রদীপে রূপান্তরিত হয়ে পুরো পৃথিবীকে আলোকিত করতে যাচ্ছিল।

📚 তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স 

  1.  সীরাত ইবনে হিশাম: ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৩৮-৪৪২ (আকাবার বায়াত ও নকীবদের বিবরণ)।
  2.  আর-রাহীকুল মাখতূম: সফিউর রহমান মোবারকপুরী, পৃষ্ঠা ১৩৮-১৪১।
  3.  আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ইমাম ইবনে কাসীর, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৯১-১৯৪।
  4.  মুসনাদে আহমাদ: ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩২২ (হজরত কাব ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত বিশুদ্ধ রেওয়ায়েত)।

Enamul Haque Ibn Yousuf

“এনামুল হক ইবনে ইউসুফ" সমসাময়িক বাংলা ইসলামি সাহিত্যের একজন সুপরিচিত কণ্ঠস্বর। জীবন, সম্পর্ক, আধ্যাত্মিকতা ও মানবমনের গভীর অনুভূতিগুলোকে তিনি কাব্যিক অথচ বাস্তব ভাষায় তুলে ধরেন। তাঁর বহুল আলোচিত গ্রন্থ "জোড়াতালির সংসার" এবং "জীবনের ভাঁজে ভাঁজে" পাঠকমহলে বিশেষভাবে সমাদৃত। উপন্যাসের পাশাপাশি অনুকাব্য, অনুগল্প ও দার্শনিক গদ্যেও তিনি নির্মাণ করে চলেছেন নিজস্ব এক সাহিত্যভুবন।

Comments (1)

  • আয়েশা সিদ্দিকাsays:

    June 18, 2026 at 9:57 PM

    আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝদান করুন।আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

- আমি মুসলিমস ডে এর কমেন্টের নীতিমালার সাথে একমত হয়ে পোস্ট করছি

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন ২

ট্যাগ সমূহ

সাইট হিট কাউন্টার

সর্বমোট পোস্ট ভিউ: ৫,১৬৩,১৯৩

পোস্ট কপি করার অপশন বন্ধ রাখা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পোস্টের লিংক কপি করুন