
Post Updated at 16 Mar, 2026 – 11:55 AM
যাকাতের হিসাবের সময় যাকাতযোগ্য সকল সম্পদের মূল্য থেকে ঋণ (যদি থাকে) বাদ দিতে হবে। ঋণ বাদ দিয়ে যত টাকা হয়, তত টাকার ২.৫% যাকাত আদায় করতে হবে। কারো ঋণের পরিমাণ যদি এত বেশি হয় যে তা বাদ দিলে অবশিষ্ট সম্পদ নিসাবের চেয়ে কমে যায়, তবে যাকাত আদায় করতে হবে না। – মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক হাদীস ৭০৮৬; বাদায়েউস সানায়ে ২/৮৩
তবে মনে রাখতে হবে, প্রয়োজন পূরণের জন্য বাধ্য হয়ে যে ঋণ নেওয়া হয় কেবল তা-ই বাদ দেয়া যাবে। যাকাত-যোগ্য সম্পদ থেকে এমন ঋণ বাদ দেয়ার পর যদি যাকাতের নেসাব থাকে, তাহলে যাকাত ফরয হবে, অন্যথায় নয়। কিন্তু যে সকল ঋণ উন্নয়নের জন্য নেওয়া হয় যেমন কারখানা বানানো, বিক্রি করার উদ্দেশ্যে বিল্ডিং বানানো অথবা ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্যে গৃহীত ঋণ, যাকাতের হিসাবের সময় সে ঋণ বাদ দেওয়া যাবে না।
পাওনা টাকা হাতে পাওয়ার পর তার যাকাত দেওয়া ফরয হয়। তবে টাকা পাওয়ার আগেও যদি কেউ অগ্রিম যাকাত দিয়ে দেয়, তবে তা আদায় হয়ে যাবে। যদি পাওনা টাকা উসুল হতে কয়েক বছর সময় লাগে, তবে টাকা হাতে পাওয়ার পর বিগত সব বছরের যাকাত দেওয়া ফরয। -মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১০৩৫৬
বাকিতে কোনো পণ্য বিক্রি করলে সে টাকারও যাকাত দিতে হবে। এটা স্বাভাবিক পাওনা টাকার মতোই। তবে কোনো পাওনা টাকা নিয়ে যদি প্রবল আশঙ্কা হয় যে, তা পাওয়া যাবে না, তবে সে টাকার যাকাত আদায় করতে হবে না। পরবর্তীতে কখনো পাওয়া গেলে তখন থেকে এর যাকাত আদায় করতে হবে।
Comments (2)
Sakib Sksays:
June 12, 2026 at 7:23 PMআস্সালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারারাকাতুহ মুসলিম ডে কি বাংলাদেশ এর আপ
Muslims Day Desksays:
June 19, 2026 at 6:20 AMওয়ালাইকুমুসসালাম। জ্বি, মুসলিমস ডে অ্যাপটি বাংলাদেশ থেকে নির্মিত। ২০১৫ সাল থেকে মুসলিম উম্মাহ’ত খেদমতে কাজ করে যাচ্ছে মুসলিমস ডে। আমাদের অফিস ঢাকার মিরপুর DOHS এ