
Post Updated at 8 Feb, 2026 – 7:28 PM
সুবহে সাদিকের আগে যে খাবার খাওয়া হয় তা আমাদের কাছে সাহরি নামে পরিচিত। রাসূল (সা.)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সাহরি খাওয়া অত্যন্ত বরকতের একটি আমল। রমজান মাসে স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ভোর রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে নিতে হয়। সারাদিনের পানাহার থেকে বিরত থাকার জন্য সাহরিতে পুষ্টিকর ও শক্তিদায়ক খাবার খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীর সুস্থ-সবল রাখতে সাহরি খাওয়া অপরিহার্য। নিয়মিত অভ্যাসে শরীর এক মাসে এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়।
সাহরির খাদ্য নির্বাচন
সাহরির খাবার অবশ্যই সহজপাচ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া উচিত। অতিরিক্ত তেল, ঝাল ও চর্বিযুক্ত খাবার একদমই এড়িয়ে চলতে হবে। ভাতের সাথে মিক্সড সবজি, মাছ, মাংস বা ডিম রাখা ভালো। ডালও খেতে পারেন। পাকস্থলীতে অস্বস্তি সৃষ্টি করে এমন খাবার এড়ানো উচিত। ভারী খাবার খেলে শরীরে বিপাকক্রিয়া বেড়ে যায় এবং রোজার সময় ক্লান্তি ও ঘুম ঘুম ভাব আসতে পারে।
পিপাসা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
ডিম ও দুধের ব্যবহার
দুধ খাওয়ার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ নেই। সাহরিতে দুধ খেলে সারাদিনের রোজায় শরীরের ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। যাদের বয়স বেশি এবং রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, তারা ডিমের কুসুম ছাড়া শুধু সাদা অংশ খেতে পারেন।
মাংসের পরিকল্পনা
মাংসের বিভিন্ন মেনু দেখলে খেতে ইচ্ছা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে এসব খাবারে মসলা ও তেলের পরিমাণ বেশি থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। ঘরে একবেলা মাছ এবং অন্যবেলা মাংস খাওয়ার চেষ্টা করুন। খাবারের মেনুতে সাধ্যমত বৈচিত্র্য আনুন।
বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে নিজের শরীর ও খাবারের মান বুঝে খাওয়া কঠিন নয়। এই রমজানে সকলে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হন এই দুআ করি।
Leave a Reply